• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজে শিবিরের ‘গুপ্ত রাজনীতি’ বন্ধে ছাত্রদলের স্মারকলিপি রাজারহাটে অসহায় প্রতিবন্ধী রফিকুলের পাশে ইউএনও: মানবিক সহায়তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত শতবর্ষী ‘খতনা মাস্টার’ শমসের আলী গুরুতর অসুস্থ: দোয়া চেয়েছে এলাকাবাসী অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নতুন নিয়ম ২০২৬: রেজিস্ট্রেশন ও বুকিং পদ্ধতি কুড়িগ্রামে ২ লাখ ৭১ হাজার শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা কুড়িগ্রামে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু ফাহিমকে বাঁচাতে আকুতি ২ জুলাই শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার: কুড়িগ্রাম জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও পর্যটন ইউটিউব দেখে এআই স্মার্ট কার তৈরি: চালক ছাড়াই চলবে রেজিমের উদ্ভাবন দুধকুমার নদীতে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে সহযোগিতা কামনা

রৌমারীতে নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, জরিমানা

Reporter Name / ৫৩৫ Time View
Update : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
রৌমারীতে নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, জরিমানা
রৌমারীতে নেতার গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার, জরিমানা

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় এক বিএনপি নেতার বসতবাড়ির গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত রাখার দায়ে অভিযুক্ত পরিবারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের দাঁতভাঙ্গা গ্রামে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাফিউর রহমান

ঘটনার বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবু জাহান-এর বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে পেট্রল মজুত করে বিক্রি করা হচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে ওই বাড়িতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। তল্লাশির একপর্যায়ে বাড়ির গোয়ালঘর থেকে ড্রামভর্তি পেট্রল ও তেল বিক্রির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, আবু জাহানের ছেলে এবং ইউনিয়ন যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এরশাদুল হক পাম্প থেকে পেট্রল সংগ্রহ করে বাড়িতে মজুত করতেন এবং পরে তা চড়া দামে খুচরা বিক্রি করতেন।

প্রশাসনের বক্তব্য

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাফিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিয়মবহির্ভূতভাবে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় দাহ্য পদার্থ মজুত রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। আইন লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্টদের ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অভিযুক্তের দাবি

অভিযানের সময় মূল অভিযুক্ত এরশাদুল হক উপস্থিত ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতে ভাই হারুন অর রশিদ জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন। তবে অবৈধ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন:

“আমাদের নিজেদের মোটরসাইকেলে ব্যবহারের জন্য কিছু পেট্রল রাখা হয়েছিল। প্রতিবেশীদের কেউ শত্রুতাবশত বিষয়টি বড় করে দেখিয়েছে।”

উদ্ধারকৃত পেট্রল ও সরঞ্জাম বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd